হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় সরকারি জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মনজুর মিয়া (২২) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বেগমপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মনজুর মিয়া ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে এবং নবীগঞ্জ সরকারি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেগমপুর গ্রামের একটি সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে খলিলুর রহমান ভোগ দখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি প্রতিপক্ষ হেলাল মিয়া ওই জমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন বলে দাবি করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। রোববার দুপুরে হেলাল মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমিতে গিয়ে খলিলুর রহমানের লোকজনকে কাজ করতে বাধা দেয়। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষের লোকজন।
সংঘর্ষে হেলাল মিয়ার লোকজনের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে মনজুর মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ১০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল মিয়া বলেন, সরকারি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বেগমপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মনজুর মিয়া ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে এবং নবীগঞ্জ সরকারি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেগমপুর গ্রামের একটি সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে খলিলুর রহমান ভোগ দখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি প্রতিপক্ষ হেলাল মিয়া ওই জমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন বলে দাবি করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। রোববার দুপুরে হেলাল মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমিতে গিয়ে খলিলুর রহমানের লোকজনকে কাজ করতে বাধা দেয়। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষের লোকজন।
সংঘর্ষে হেলাল মিয়ার লোকজনের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে মনজুর মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ১০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল মিয়া বলেন, সরকারি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক